আহসান মঞ্জিল

বুড়িগঙ্গার তীরের গোলাপি রঙের ঐতিহাসিক প্রাসাদ। স্থানটি ঢাকা বিভাগের ঢাকা জেলায়।

আহসান মঞ্জিল সম্পর্কে

পুরান ঢাকায় বুড়িগঙ্গার তীরের প্রাসাদ আহসান মঞ্জিল উনিশ শতকের শেষ ও বিশ শতকের শুরুতে ঢাকার নবাবদের সরকারি বাসভবন ও কার্যালয় ছিল। খাজা আলিমুল্লাহ ১৮৩০ সালে একটি পুরোনো ফরাসি কুঠিসহ জায়গাটি কেনেন; তাঁর ছেলে খাজা আবদুল গনি ১৮৫৯ থেকে ১৮৭২ সালের মধ্যে প্রাসাদটি নির্মাণ করেন এবং নিজের ছেলে খাজা আহসানুল্লাহর নামে এর নাম রাখেন।

ইন্দো-সারাসেনিক রীতির ভবনটি নদীর দিকে মুখ করে উঁচু ভিতের ওপর দাঁড়িয়ে, নদীর দিক থেকে উঠে গেছে প্রশস্ত সিঁড়ি। ১৮৮৮ সালের টর্নেডো ও ১৮৯৭ সালের ভূমিকম্পে এটি বড় ক্ষতির মুখে পড়ে, পরে জীর্ণ হয়ে যায়। ১৯৮৫ সাল থেকে সরকার এটি সংস্কার করে, আর ১৯৯২ সাল থেকে এটি বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের অধীনে জাদুঘর, যেখানে নবাব পরিবারের সময়ের কক্ষ ও জিনিসপত্র দেখা যায়।

সূত্র: Wikipedia: Ahsan Manzil · তথ্য যাচাই: ৭ অক্টো, ২০২৬

স্থানটি সম্পর্কে

ধরন
শহর
অবস্থান
ঢাকা
ভ্রমণের সেরা সময়
যাচাই করা তথ্য এখনো নেই
আনুমানিক খরচ
  • প্রবেশ ফি (স্থানীয়): ৳ ২০
  • প্রবেশ ফি (বিদেশি): ৳ ৫০০

একটি ভ্রমণ তালিকা থেকে জানানো। ফি বদলে যেতে পারে।

জনসাধারণের জন্য প্রকাশিত সূত্র থেকে ৭ অক্টো, ২০২৬ তারিখে দেখা তথ্য; সরকারি যাচাই নয়। সূত্র: Kupi: Ahsan Manzil Museum

একই ধরনের আরও জায়গা

ধরন, জেলা ও কাছাকাছি অবস্থান মিলিয়ে বাছাই করা।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

আহসান মঞ্জিল কী এবং কেন পরিচিত?

পুরান ঢাকায় বুড়িগঙ্গার তীরের প্রাসাদ আহসান মঞ্জিল উনিশ শতকের শেষ ও বিশ শতকের শুরুতে ঢাকার নবাবদের সরকারি বাসভবন ও কার্যালয় ছিল। খাজা আলিমুল্লাহ ১৮৩০ সালে একটি পুরোনো ফরাসি কুঠিসহ জায়গাটি কেনেন; তাঁর ছেলে খাজা আবদুল গনি ১৮৫৯ থেকে ১৮৭২ সালের মধ্যে প্রাসাদটি নির্মাণ করেন এবং নিজের ছেলে খাজা আহসানুল্লাহর নামে এর নাম রাখেন।

আহসান মঞ্জিল কোথায়?

আহসান মঞ্জিল বাংলাদেশের ঢাকা জেলায় অবস্থিত।

আহসান মঞ্জিল কী ধরনের স্থান?

এটি একটি শহর গন্তব্য।

আহসান মঞ্জিল ঘোরার সেরা সময় কখন?

এ বিষয়ে যাচাই করা তথ্য এখনো আমাদের কাছে নেই, তাই কোনো মাস উল্লেখ করা হলো না।