খেরুয়া মসজিদ

বগুড়ার শেরপুর উপজেলার ঐতিহাসিক মসজিদ। স্থানটি রাজশাহী বিভাগের বগুড়া জেলায়।

খেরুয়া মসজিদ সম্পর্কে

বগুড়ার শেরপুর উপজেলার খেরুয়া মসজিদ আদি মোগল আমলের। সম্মুখ দেয়ালের শিলালিপি অনুযায়ী ১৫৮২ সালে জওহর আলী খান কাকশালের ছেলে মির্জা মুরাদ খান কাকশাল এটি নির্মাণ করেন; শেরপুর তখন ঘোড়াঘাটের অধীন প্রশাসনিক কেন্দ্র ছিল, আর তিনি সম্ভবত সেখানকার জায়গিরদার বা ফৌজদার ছিলেন।

খেরুয়া নামের উৎস অস্পষ্ট; এক ধারণা অনুযায়ী, রাজা মানসিংহের তৈরি শেরপুরের এখন বিলুপ্ত দুর্গের ভেতরে মসজিদটি থাকলে ফারসি "খায়ের গাহ" (কোনো স্থানের ভেতরে) থেকে নামটি আসতে পারে। ১৯৫৬ সালে মসজিদটি মেরামত করা হয়, এখনো নিয়মিত নামাজ হয়, আর প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর এর চারপাশে সীমানাপ্রাচীর তৈরি করেছে।

সূত্র: Wikipedia: Kherua Mosque · তথ্য যাচাই: ৭ অক্টো, ২০২৬

স্থানটি সম্পর্কে

ধরন
ঐতিহ্য
অবস্থান
বগুড়া
ভ্রমণের সেরা সময়
যাচাই করা তথ্য এখনো নেই
আনুমানিক খরচ
যাচাই করা তথ্য এখনো নেই

একই ধরনের আরও জায়গা

ধরন, জেলা ও কাছাকাছি অবস্থান মিলিয়ে বাছাই করা।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

খেরুয়া মসজিদ কী এবং কেন পরিচিত?

বগুড়ার শেরপুর উপজেলার খেরুয়া মসজিদ আদি মোগল আমলের। সম্মুখ দেয়ালের শিলালিপি অনুযায়ী ১৫৮২ সালে জওহর আলী খান কাকশালের ছেলে মির্জা মুরাদ খান কাকশাল এটি নির্মাণ করেন; শেরপুর তখন ঘোড়াঘাটের অধীন প্রশাসনিক কেন্দ্র ছিল, আর তিনি সম্ভবত সেখানকার জায়গিরদার বা ফৌজদার ছিলেন।

খেরুয়া মসজিদ কোথায়?

খেরুয়া মসজিদ বাংলাদেশের বগুড়া জেলায় অবস্থিত।

খেরুয়া মসজিদ কী ধরনের স্থান?

এটি একটি ঐতিহ্য গন্তব্য।

খেরুয়া মসজিদ ঘোরার সেরা সময় কখন?

এ বিষয়ে যাচাই করা তথ্য এখনো আমাদের কাছে নেই, তাই কোনো মাস উল্লেখ করা হলো না।